শুক্রবার, ২৫ Jun ২০২১, ১২:৩৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ইভ্যালি-আলেশা মার্টসহ ১০টি প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটায় ব্র্যাক ব্যাংকের নিষেধাজ্ঞা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শর্তসাপেক্ষে ২য় বর্ষে প্রমোশন গুলশানে‌ ফ্ল্যাট থেকে তরুণীর লাশ উদ্ধার, বসুন্ধরা গ্রুপ এর এমডি তানভীর এর বিরুদ্ধে মামলা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার তারিখ আবারও পেছালো কক্সবাজারে বিনোদনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে কায়াকিং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা স্থগিত ঢাকায় বয়ফ্রেন্ড ভাড়া করছে কোটিপতির সুন্দরী মেয়েরা ফুল আর ভালোবাসায় সিক্ত হলেন নজরুল মন্ডল টানা তিবারের (হ্যাট্রিক) কাউন্সিলর নাসির উদ্দিন রনি নির্বাচিত গোয়ালন্দ পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নজরুল মন্ডলের জয়লাভ
বাতাস থেকেও ছড়ায় করোনাভাইরাস! (ভিডিও সহ)

বাতাস থেকেও ছড়ায় করোনাভাইরাস! (ভিডিও সহ)

আক্রান্তের হাঁচি, কাশির মাধ্যমে বের হওয়া জলীয় কণার মাধ্যমে কোভিড-১৯ ছড়ায় বলে এতদিন মনে করা হলেও ভাইরাসটির বাতাসে ভেসে থাকার ক্ষমতা নিয়ে এখন নতুন প্রমাণ সামনে এসেছে। গবেষকরা বলছেন, ভাইরাসটি বাতাসের মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

নিউইয়র্ক টাইমস ও লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউএস সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের পক্ষ থেকে করোনাভাইরাসের শুধু দুই ধরনের সংক্রমণ সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়ে থাকে।

একটি হচ্ছে আশপাশের কোনো সংক্রমিত ব্যক্তির কাছ থেকে শ্বাসপ্রশ্বাসের ড্রপলেট শ্বাসের মাধ্যমে ঢুকে গেলে সংক্রমণ ছড়ায়। আরেকটি হচ্ছে ভাইরাসযুক্ত পৃষ্ঠ স্পর্শ করার পর চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করার মাধ্যমে করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয়।

তবে অন্য বিশেষজ্ঞরা যুক্তি দেখান যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকায় ক্রমবর্ধমান প্রমাণকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। সংক্রমণের ক্ষেত্রে তৃতীয় যে আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, সে বিষয়টি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অস্বীকার করে আসছে।

গবেষকরা বলছেন, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, শ্বাসপ্রশ্বাসের ড্রপলেটের ক্ষুদ্র সংস্করণ বা অ্যারোসল কণা দীর্ঘসময় বাতাসে ভেসে থাকতে পারে। এটি কয়েক মিটার পর্যন্ত ভেসে যেতে পারে। এটি যেসব ঘরে আলো-বাতাস কম বা বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের বন্ধ জায়গায় বেশি মারাত্মক হতে পারে। এমনকি এসব জায়গায় ১ দশমিক ৮ মিটার দূরত্ব রেখেও কোনো লাভ হয় না।

অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনের কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির বিজ্ঞান এবং পরিবেশ প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক লিডিয়া মোরাউসকা বলেন, ‘আমরা এ বিষয়টি শতভাগ নিশ্চিত।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে তারা একটি খোলা চিঠি লিখেছেন, যাতে জাতিসংঘের এ সংস্থাকে এ ঝুঁকি সম্পর্কে যথাযথ সতর্ক করতে ব্যর্থ বলে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ওই চিঠিতে ৩২টি দেশের ২৩৯ জন গবেষক স্বাক্ষর করেছেন। আগামী সপ্তাহে একটি বিজ্ঞান সাময়িকীতে এটি প্রকাশ হতে পারে।

সাক্ষাৎকারে গবেষকরা বলেছেন, অ্যারোসল সংক্রমণ বা বাতাসে ভাইরাসের সংক্রমণের বিষয়টি কয়েকটি বিস্তৃত সংক্রমণের ব্যাখ্যা করার একমাত্র উপায় হতে পারে। এর মধ্যে চীনের রেস্তোরাঁয় বা ওয়াশিংটনে শিল্পীদের মহড়ার সময় আগাম সতর্কব্যবস্থা নেয়ার পরও সংক্রমণের বিষয়টি উদাহরণ হিসেবে দেখা যায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে অ্যারোসলের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের বিষয়টি স্বীকার করা হলেও বলা হচ্ছে, এটি কেবল ইনটিউবেশনের মতো চিকিৎসা কার্যক্রমের সময় ছড়াতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞ বেনডেট্টা অ্যালেগারাঞ্চি বলেন, মোরাউসকা ও তার গবেষক দল পরীক্ষাগারের তত্ত্বের ভিত্তিতে এ কথা বলছেন। তাদের মাঠপর্যায়ের কোনো প্রমাণ নেই। আমরা এ বিতর্কে তাদের অবদান ও মতামতকে সম্মান দিচ্ছি।

সাপ্তাহিক টেলিকনফারেন্সে ৩০ জনের বেশি আন্তর্জাতিক গবেষক দলের অধিকাংশই বাতাস থেকে সংক্রমণের বিষয়টি যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে মত দিয়েছেন। তারা বলছেন, এক্ষেত্রে সঠিক উপায়ে মাস্ক পরলে তা থেকে মুক্ত থাকা যাবে। এছাড়া ঘরে যথেষ্ট আলো-বাতাস ঢোকার ব্যবস্থা থাকতে হবে।

শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2021 BD SUNRISE