সপ্ত চরণে তুমি: কাওসার আহম্মেদ

BDSUNRISE
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৪:৫৫ PM, ২০ জুন ২০২০

বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ব্যক্তিত্বের মধ্যে প্রকাশ করার জন্য লেখা কবিতাঃ

শাসকের দীপ্ত শিখায়, চেয়েছি মোদের অন্ত দিশা
হীরকতুল্য তরুণেরা চলো, আজি জয়গান গাহী
নক্ষত্র ছায়াপথে খুঁজে ফিরেছি, যে আলোর নিশান

আজি ফিরিছে কান্ডারী মোদের, ছাড়ি ভূবণ বেদীআ
হর্ষ তাঁহার চিবুক রাঙিয়া, অঙ্গ ছাড়ি চলো বহ
মেলিছে যে শোভা দিগন্তে বল, ডাকিব সে কোন নামে
দমিয়োনা হে আজিকে তরুণ, না মুছিয়া মন খেদ

“সপ্ত চরণে উনিশ বর্ণের মাধ্যমে দুইবার সৃজিত হয়েছে একটি নাম -শা হী ন আ হ মে দ- যে কিনা এই কবিতার স্বপ্ন সারথী”এটাই এই কবিতার মূল আকর্ষন। যেখানে প্রতিটি লাইন উনিশ বর্ণে লেখা এবং সব লাইনের প্রথম বর্ণ ও শেষ বর্ণের মাধ্যমে সৃজিত হয়েছে কথাগুলির বেষ্টনী হিসেবে একটি নাম-
“শাহীন আহমেদ” এই ধরনের কবিতা গুলীকে সনেট কবিতা বলা হয়। তবে এটি সনেট নয়। বাংলা ভাষায় সনেট প্রবর্তনের জন্য মাইকেল মধুসূদন দত্তকে আধুনিক বাংলা কবিতার জনক বলা হয়।
প্রকৃতপক্ষে, কোন বিশেষ ব্যক্তিকে নিয়ে এমন কবিতার দৃষ্টান্ত খুবই বিরল। বিভিন্ন খ্যাতনামা কথা সাহিত্যিকগন চৌদ্দ বর্ণ ও চৌদ্দ লাইনের সনেট কবিতা লিখেছেন।

তাঁর মধ্যে মধুসূদন দত্ত অন্যতম।
এই কবিতার লেখক শব্দ চয়নের সঠিকতা যাচাইয়ের জন্য কথা বলেছেন, মানিকগঞ্জের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক, রম্য লেখক বীর মুক্তিযোদ্ধা সামাদ কুদ্দুস স্যার এর সাথে। তিনি বলেন কিছু দূর্ভেদ্ধ শব্দ চয়ন হয়েছে কিন্তু খুব সুন্দর। তবে এর মধ্যে ব্যক্তিত্বকে বেষ্টনীতে আটকানো গুনটি খুবই চমৎকার হয়েছে।

কবিতার লেখক কে তাঁর নিজস্ব অনূভুতির কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমি খুব বেশি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণ করার সুযোগ পাইনি। কিন্তু অনুসরণীয় ব্যক্তিগনের আদর্শকে ধারণ করার চেষ্টা করি।

আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে অত্যাধিক শ্রদ্ধা করি এবং ভালোবাসি। স্বাধীনতা নামক শব্দের স্বার্থকতা আমি এজাতির মুক্তির অনুপ্রেরণা দানকারী বঙ্গবন্ধুর আদর্শ মাঝেই লুকায়িত পেয়েছি। বাঙালী জাতির ইতিহাস আমাকে এই শিক্ষাই দিয়েছে। আজ এদেশের কিছু তরুণ জনপ্রতিনিধি আছে যাদের মধ্যে পূর্ণ মাত্রায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বিদ্যমান।

এদের মধ্যে আমার সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিগন হলেন, নাটোরের জুনাইদ আহমেদ পলক, গাজীপুরের জাহিদ রাসেল আহসান, ফরিদপুরের মজিবর রহমান চৌধুরী নিক্সন, ময়মনসিংহের ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল, বাঘেরহাটের শেখ তন্ময় এবং আমি যাকে খুব কাছ থেকে দেখেছি, শিক্ষা খাতে পদক প্রাপ্ত বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান কেরাণীগঞ্জের শাহীন আহমেদ। শাহীন আহমেদ এর আদর্শ আমাকে এমন কবিতা লিখতে অনুপ্রাণিত করেছে।

তিনি বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কে বলতে চাই, বর্তমান সময়ে এ দেশের সার্বিক উন্নয়নে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা সবচেয়ে বেশী। তাই তরুণ প্রজন্মকে আরো বেশী অনুপ্রেরণা ও সুযোগ দিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার ভিত্তি মজবুত করার জন্য আন্তরিকভাবে সুপারিশ করছি।

তিনি আরও বলেন, আমি বঙ্গবন্ধু ও জাতির প্রকৃত স্বপ্ন নিয়ে স্মৃতির ডায়েরিতে অনেক না বলা কথা একেঁ রেখেছি। যদি সাহিত্য চর্চায় মনোনিবেশের সুযোগ ও বাংলা একাডেমী তথা জাতীয় সাহিত্য কেন্দ্রের অনুপ্রেরণা পাই তবে ভবিষ্যতে অবশ্যই জাতিকে কিছু একটা উপহার দিব।

আপনার মতামত লিখুন :