কোতোয়ালী থানা এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী টাইগার হাবিব কে অস্ত্র গুলি সহ গ্রেফতার করেছে সিআইডি

বিশেষ প্রতিনিধি
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১২:৩১ AM, ১৬ জুন ২০২০

আজ ১৫ ই জুন সোমবার রাজধানীর বাবু বাজার ব্রীজ এলাকা থেকে অস্ত্র দুই রাউন্ড গুলি সহ গ্রেফতার করে সিআইডি পুলিশ এক সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি রেজাউল হায়দার এ তথ্য জানিয়েছেন।

টাইগার হাবিবের অপরাধের ফিরিস্তি নিম্ন দেওয়া হলো:

রাজধানী পুরান ঢাকার কোতয়ালী থানা এলাকার এাস শীর্ষ সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ হত্যা মামলার পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামী টাইগার হাবিব ওরফে বাবু ৮০ দশকের জেলপলাতক আসামী কুখ্যাত বুদ্দা পিচ্চির ছোট ভাই টাইগার হাবিব তার জন্ম কোতোয়ালি থানাধীন ৫নং পি, কে রায় লেন কলাপট্রিতে। তার বাবা মৃত রব মিয়া তিন ভাই দুই বোনের মধ্যে টাইগার হাবিব সবার ছোট। ছোটকাল থেকে অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িত, ১৯৮৭ হত্যার মাধ্যামে অপরাধ জগতে জড়িয়ে পড়ে। এরপর কলাপট্রির আফজাল কে গুলি করে হত্যা করে। পরে শাহজাহান নামে এক কলা ব্যবসায়ীর কানে গুলি করে এই টাইগার হাবিব, এরপর থেকে হাবিব অস্ত্রসহ ধরা পড়ে পুলিশের হাতে। তখন অস্ত্র মামলায় সাত বছর সাজা খেটে ১৯৯৫ সালে জেল থেকে বেরিয়ে আবার অপরাধ করতে শুরু করে। তখন পুরান ঢাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী খায়েরুদ্দিন, কিছুদিন আগে মওলা কুতুব সে মিরপুরে র্যাবের হাতে ক্রস ফায়ারে নিহত হন,সানু, কিছু দিন আগে মারা যায় রেজাউল,কামাল,বিফকেসহান্নান কে নিয়ে গড়ে তুলে হাবিব বাহিনী। এরপর শুরু করে ব্যাপক চাঁদাবাজি ছিনতাই এর মতো অপরাধ। ১৯৯৬ সালে
বাদামতলীর ফল ব্যবসায়ী টাইগার হাবিবের চাঁদাবাজিতে অতিস্ট হয়ে প্রতি আড়ৎ ঘরে পাগলা ঘন্টা স্থাপন করে। আর হকি স্টিক রাখেন।
সে সময় দ্বিতীয় বুড়িগঙ্গা সেতু বাবুবাজার ব্রীজ নির্মাণ ঠিকাদারের কাছে ২৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। তখন ঠিকাদার ব্রিজ নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন।

এরপর নয়াবাজার এলাকায় ছিনতাই কালে জনতার গণধোলাই তার বাহিনীর ২ সদস্য নাক কাটা বাবুল ও আলম মারা যায়। হাবিব গুলি করতে পছন্দ করে তাই টাইগার হাবিব নামে তাকে উপাধি দেন। বাবুবাজার এলাকাবাসী সে সময়ে তাকে তার বাহিনী সদস্য দের ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কোতয়ালী থানা পুলিশ পুরস্কার ঘোষণা করে পোস্টার লাগিয়ে ছিলো দেওয়ালে দেওয়ালে।

এরপর সাত রওজা এলাকা টাইগার হাবিবসহ তার তিন সহযেগী কে প্রচুর অস্ত্র ও গুলি সহ গ্রেফতার করে। ২০০৫ সালে কেরানীগঞ্জে আল্লহরদান কমিউনিটি সেন্টারে চাঁদা নিতে গেলে সে সময় কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে অস্ত্র সহ গ্রেফতার করে। পরে ২০০৬ সালে আবার অস্ত্রসহ কামরাঙ্গাগীর চর থানা পুলিশের হাতে অস্ত্র সহ গ্রেফতান হন। সে বর্তমানে সরকার দলীয় কিছু নেতা সাথে প্রকাশ্য ঘুরে বেরাচ্ছে ইদানিং ইসলাম পুর কাপড় মার্কেট এলাকায় নিরীহ ব্যবসায়ীদের কাছে নীরব চাঁদাবাজি করছে।

থানা পুলিশের অভিযোগ করে কোন লাভ হয়না। টাইগার হাবিব দেশের সর্বপ্রথম বোমা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী এলাকাবাসীর প্রশ্ন এত বড় শীর্ষ সস্ত্রাসী কিভাবে প্রকাশ্য ঘুড়ে বেরুচ্ছে। আর দেশের প্রশাসন নিরব কেন?

ক্রসফায়ারে এত মানুষ আর টাইগার হাবিব মতো দূরধস্য সন্ত্রাসী কিসের জোরে বেঁচে আছে আর অপরাধ করে যাচ্ছে দিনেরপর দিন। টাইগার হাবিব কোতয়ালী থানার দুই নাম্বার তালিকাভুক্ত আসামী তার বিরুদ্ধে হত্যা সহ এক ডজনের বেশী ডিএমপি বিভিন্ন থানা মামলা রয়েছে। মাঝে মধ্যে পুলিশের কাছে গ্রেফতার হলেও বাবু নামে বেড়িয়ে আসে থানা থেকে।

টাইগার হাবিবে মোটরবাইক নং সাতক্ষীরা ল-১১২৫৪৭ পারসার লালরঙ্গের রাজধানীতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার বড় দুই ভাই বুদ্দা পিচ্চি ও দূরধস্য সন্ত্রাসী মুন্সিগঞ্জের রামপালে ডাকাতি করতে গেলে এলাকাবাসী বুদ্দার দুই চোখ তুলে দেয়।

আরেক বড় ভাই মোহাম্মাদ হোসেন পিচ্চি সে বাবুবাজারে কয়েক বছর আগে ছিনতাই কালে চাউল ব্যবসায়ী গুলি হত্যা করে
টাইগার হাবিব একজন ভাড়াটে খুনি অস্ত্র ব্যবসায়ী
সে অস্ত্র ভাড়া ও দিয়ে
এবং পুরান ঢাকার পেশাদার ছিনতাইকারী সুটকেস হান্নানের সহযোগী

আপনার মতামত লিখুন :